📖 সূরা ভিউ
Abasa سُورَةُ عَبَسَ
এই সূরার সকল আয়াত বাংলা অর্থসহ নিচে দেখানো হলো
আয়াত 1
بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِیمِ عَبَسَ وَتَوَلَّىٰۤ
তিনি ভ্রূকুঞ্চিত করলেন এবং মুখ ফিরিয়ে নিলেন।
আয়াত 2
أَن جَاۤءَهُ ٱلۡأَعۡمَىٰ
কারণ, তাঁর কাছে এক অন্ধ আগমন করল।
আয়াত 3
وَمَا یُدۡرِیكَ لَعَلَّهُۥ یَزَّكَّىٰۤ
আপনি কি জানেন, সে হয়তো পরিশুদ্ধ হত,
আয়াত 4
أَوۡ یَذَّكَّرُ فَتَنفَعَهُ ٱلذِّكۡرَىٰۤ
অথবা উপদেশ গ্রহণ করতো এবং উপদেশ তার উপকার হত।
আয়াত 5
أَمَّا مَنِ ٱسۡتَغۡنَىٰ
পরন্তু যে বেপরোয়া,
আয়াত 6
فَأَنتَ لَهُۥ تَصَدَّىٰ
আপনি তার চিন্তায় মশগুল।
আয়াত 7
وَمَا عَلَیۡكَ أَلَّا یَزَّكَّىٰ
সে শুদ্ধ না হলে আপনার কোন দোষ নেই।
আয়াত 8
وَأَمَّا مَن جَاۤءَكَ یَسۡعَىٰ
যে আপনার কাছে দৌড়ে আসলো
আয়াত 9
وَهُوَ یَخۡشَىٰ
এমতাবস্থায় যে, সে ভয় করে,
আয়াত 10
فَأَنتَ عَنۡهُ تَلَهَّىٰ
আপনি তাকে অবজ্ঞা করলেন।
আয়াত 11
كَلَّاۤ إِنَّهَا تَذۡكِرَةࣱ
কখনও এরূপ করবেন না, এটা উপদেশবানী।
আয়াত 12
فَمَن شَاۤءَ ذَكَرَهُۥ
অতএব, যে ইচ্ছা করবে, সে একে গ্রহণ করবে।
আয়াত 13
فِی صُحُفࣲ مُّكَرَّمَةࣲ
এটা লিখিত আছে সম্মানিত,
আয়াত 14
مَّرۡفُوعَةࣲ مُّطَهَّرَةِۭ
উচ্চ পবিত্র পত্রসমূহে,
আয়াত 15
بِأَیۡدِی سَفَرَةࣲ
লিপিকারের হস্তে,
আয়াত 16
كِرَامِۭ بَرَرَةࣲ
যারা মহৎ, পূত চরিত্র।
আয়াত 17
قُتِلَ ٱلۡإِنسَـٰنُ مَاۤ أَكۡفَرَهُۥ
মানুষ ধ্বংস হোক, সে কত অকৃতজ্ঞ!
আয়াত 18
مِنۡ أَیِّ شَیۡءٍ خَلَقَهُۥ
তিনি তাকে কি বস্তু থেকে সৃষ্টি করেছেন?
আয়াত 19
مِن نُّطۡفَةٍ خَلَقَهُۥ فَقَدَّرَهُۥ
শুক্র থেকে তাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তাকে সুপরিমিত করেছেন।
আয়াত 20
ثُمَّ ٱلسَّبِیلَ یَسَّرَهُۥ
অতঃপর তার পথ সহজ করেছেন,
আয়াত 21
ثُمَّ أَمَاتَهُۥ فَأَقۡبَرَهُۥ
অতঃপর তার মৃত্যু ঘটান ও কবরস্থ করেন তাকে।
আয়াত 22
ثُمَّ إِذَا شَاۤءَ أَنشَرَهُۥ
এরপর যখন ইচ্ছা করবেন তখন তাকে পুনরুজ্জীবিত করবেন।
আয়াত 23
كَلَّا لَمَّا یَقۡضِ مَاۤ أَمَرَهُۥ
সে কখনও কৃতজ্ঞ হয়নি, তিনি তাকে যা আদেশ করেছেন, সে তা পূর্ণ করেনি।
আয়াত 24
فَلۡیَنظُرِ ٱلۡإِنسَـٰنُ إِلَىٰ طَعَامِهِۦۤ
মানুষ তার খাদ্যের প্রতি লক্ষ্য করুক,
আয়াত 25
أَنَّا صَبَبۡنَا ٱلۡمَاۤءَ صَبࣰّا
আমি আশ্চর্য উপায়ে পানি বর্ষণ করেছি,
আয়াত 26
ثُمَّ شَقَقۡنَا ٱلۡأَرۡضَ شَقࣰّا
এরপর আমি ভূমিকে বিদীর্ণ করেছি,
আয়াত 27
فَأَنۢبَتۡنَا فِیهَا حَبࣰّا
অতঃপর তাতে উৎপন্ন করেছি শস্য,
আয়াত 28
وَعِنَبࣰا وَقَضۡبࣰا
আঙ্গুর, শাক-সব্জি,
আয়াত 29
وَزَیۡتُونࣰا وَنَخۡلࣰا
যয়তুন, খর্জূর,
আয়াত 30
وَحَدَاۤىِٕقَ غُلۡبࣰا
ঘন উদ্যান,
আয়াত 31
وَفَـٰكِهَةࣰ وَأَبࣰّا
ফল এবং ঘাস
আয়াত 32
مَّتَـٰعࣰا لَّكُمۡ وَلِأَنۡعَـٰمِكُمۡ
তোমাদেরও তোমাদের চতুস্পদ জন্তুদের উপাকারার্থে।
আয়াত 33
فَإِذَا جَاۤءَتِ ٱلصَّاۤخَّةُ
অতঃপর যেদিন কর্ণবিদারক নাদ আসবে,
আয়াত 34
یَوۡمَ یَفِرُّ ٱلۡمَرۡءُ مِنۡ أَخِیهِ
সেদিন পলায়ন করবে মানুষ তার ভ্রাতার কাছ থেকে,
আয়াত 35
وَأُمِّهِۦ وَأَبِیهِ
তার মাতা, তার পিতা,
আয়াত 36
وَصَـٰحِبَتِهِۦ وَبَنِیهِ
তার পত্নী ও তার সন্তানদের কাছ থেকে।
আয়াত 37
لِكُلِّ ٱمۡرِئࣲ مِّنۡهُمۡ یَوۡمَىِٕذࣲ شَأۡنࣱ یُغۡنِیهِ
সেদিন প্রত্যেকেরই নিজের এক চিন্তা থাকবে, যা তাকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখবে।
আয়াত 38
وُجُوهࣱ یَوۡمَىِٕذࣲ مُّسۡفِرَةࣱ
অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে উজ্জ্বল,
আয়াত 39
ضَاحِكَةࣱ مُّسۡتَبۡشِرَةࣱ
সহাস্য ও প্রফুল্ল।
আয়াত 40
وَوُجُوهࣱ یَوۡمَىِٕذٍ عَلَیۡهَا غَبَرَةࣱ
এবং অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে ধুলি ধূসরিত।
আয়াত 41
تَرۡهَقُهَا قَتَرَةٌ
তাদেরকে কালিমা আচ্ছন্ন করে রাখবে।
আয়াত 42
أُو۟لَـٰۤىِٕكَ هُمُ ٱلۡكَفَرَةُ ٱلۡفَجَرَةُ
তারাই কাফের পাপিষ্ঠের দল।