পনারগাঁও, বাংলাদেশ info@al-islah.com
📖 সূরা ভিউ

An-Naazi'aat سُورَةُ النَّازِعَاتِ

এই সূরার সকল আয়াত বাংলা অর্থসহ নিচে দেখানো হলো

সব সূরা দেখুন
আয়াত 1
بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِیمِ وَٱلنَّـٰزِعَـٰتِ غَرۡقࣰا
শপথ সেই ফেরেশতাগণের, যারা ডুব দিয়ে আত্মা উৎপাটন করে,
আয়াত 2
وَٱلنَّـٰشِطَـٰتِ نَشۡطࣰا
শপথ তাদের, যারা আত্মার বাঁধন খুলে দেয় মৃদুভাবে;
আয়াত 3
وَٱلسَّـٰبِحَـٰتِ سَبۡحࣰا
শপথ তাদের, যারা সন্তরণ করে দ্রুতগতিতে,
আয়াত 4
فَٱلسَّـٰبِقَـٰتِ سَبۡقࣰا
শপথ তাদের, যারা দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয় এবং
আয়াত 5
فَٱلۡمُدَبِّرَ ٰ⁠تِ أَمۡرࣰا
শপথ তাদের, যারা সকল কর্মনির্বাহ করে, কেয়ামত অবশ্যই হবে।
আয়াত 6
یَوۡمَ تَرۡجُفُ ٱلرَّاجِفَةُ
যেদিন প্রকম্পিত করবে প্রকম্পিতকারী,
আয়াত 7
تَتۡبَعُهَا ٱلرَّادِفَةُ
অতঃপর পশ্চাতে আসবে পশ্চাদগামী;
আয়াত 8
قُلُوبࣱ یَوۡمَىِٕذࣲ وَاجِفَةٌ
সেদিন অনেক হৃদয় ভীত-বিহবল হবে।
আয়াত 9
أَبۡصَـٰرُهَا خَـٰشِعَةࣱ
তাদের দৃষ্টি নত হবে।
আয়াত 10
یَقُولُونَ أَءِنَّا لَمَرۡدُودُونَ فِی ٱلۡحَافِرَةِ
তারা বলেঃ আমরা কি উলটো পায়ে প্রত্যাবর্তিত হবই-
আয়াত 11
أَءِذَا كُنَّا عِظَـٰمࣰا نَّخِرَةࣰ
গলিত অস্থি হয়ে যাওয়ার পরও?
আয়াত 12
قَالُوا۟ تِلۡكَ إِذࣰا كَرَّةٌ خَاسِرَةࣱ
তবে তো এ প্রত্যাবর্তন সর্বনাশা হবে!
আয়াত 13
فَإِنَّمَا هِیَ زَجۡرَةࣱ وَ ٰ⁠حِدَةࣱ
অতএব, এটা তো কেবল এক মহা-নাদ,
আয়াত 14
فَإِذَا هُم بِٱلسَّاهِرَةِ
তখনই তারা ময়দানে আবির্ভূত হবে।
আয়াত 15
هَلۡ أَتَىٰكَ حَدِیثُ مُوسَىٰۤ
মূসার বৃত্তান্ত আপনার কাছে পৌছেছে কি?
আয়াত 16
إِذۡ نَادَىٰهُ رَبُّهُۥ بِٱلۡوَادِ ٱلۡمُقَدَّسِ طُوًى
যখন তার পালনকর্তা তাকে পবিত্র তুয়া উপ্যকায় আহবান করেছিলেন,
আয়াত 17
ٱذۡهَبۡ إِلَىٰ فِرۡعَوۡنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ
ফেরাউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে।
আয়াত 18
فَقُلۡ هَل لَّكَ إِلَىٰۤ أَن تَزَكَّىٰ
অতঃপর বলঃ তোমার পবিত্র হওয়ার আগ্রহ আছে কি?
আয়াত 19
وَأَهۡدِیَكَ إِلَىٰ رَبِّكَ فَتَخۡشَىٰ
আমি তোমাকে তোমার পালনকর্তার দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাকে ভয় কর।
আয়াত 20
فَأَرَىٰهُ ٱلۡـَٔایَةَ ٱلۡكُبۡرَىٰ
অতঃপর সে তাকে মহা-নিদর্শন দেখাল।
আয়াত 21
فَكَذَّبَ وَعَصَىٰ
কিন্তু সে মিথ্যারোপ করল এবং অমান্য করল।
আয়াত 22
ثُمَّ أَدۡبَرَ یَسۡعَىٰ
অতঃপর সে প্রতিকার চেষ্টায় প্রস্থান করল।
আয়াত 23
فَحَشَرَ فَنَادَىٰ
সে সকলকে সমবেত করল এবং সজোরে আহবান করল,
আয়াত 24
فَقَالَ أَنَا۠ رَبُّكُمُ ٱلۡأَعۡلَىٰ
এবং বললঃ আমিই তোমাদের সেরা পালনকর্তা।
আয়াত 25
فَأَخَذَهُ ٱللَّهُ نَكَالَ ٱلۡـَٔاخِرَةِ وَٱلۡأُولَىٰۤ
অতঃপর আল্লাহ তাকে পরকালের ও ইহকালের শাস্তি দিলেন।
আয়াত 26
إِنَّ فِی ذَ ٰ⁠لِكَ لَعِبۡرَةࣰ لِّمَن یَخۡشَىٰۤ
যে ভয় করে তার জন্যে অবশ্যই এতে শিক্ষা রয়েছে।
আয়াত 27
ءَأَنتُمۡ أَشَدُّ خَلۡقًا أَمِ ٱلسَّمَاۤءُۚ بَنَىٰهَا
তোমাদের সৃষ্টি অধিক কঠিন না আকাশের, যা তিনি নির্মাণ করেছেন?
আয়াত 28
رَفَعَ سَمۡكَهَا فَسَوَّىٰهَا
তিনি একে উচ্চ করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন।
আয়াত 29
وَأَغۡطَشَ لَیۡلَهَا وَأَخۡرَجَ ضُحَىٰهَا
তিনি এর রাত্রিকে করেছেন অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং এর সূর্যোলোক প্রকাশ করেছেন।
আয়াত 30
وَٱلۡأَرۡضَ بَعۡدَ ذَ ٰ⁠لِكَ دَحَىٰهَاۤ
পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত করেছেন।
আয়াত 31
أَخۡرَجَ مِنۡهَا مَاۤءَهَا وَمَرۡعَىٰهَا
তিনি এর মধ্য থেকে এর পানি ও ঘাম নির্গত করেছেন,
আয়াত 32
وَٱلۡجِبَالَ أَرۡسَىٰهَا
পর্বতকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন,
আয়াত 33
مَتَـٰعࣰا لَّكُمۡ وَلِأَنۡعَـٰمِكُمۡ
তোমাদের ও তোমাদের চতুস্পদ জন্তুদের উপকারার্থে।
আয়াত 34
فَإِذَا جَاۤءَتِ ٱلطَّاۤمَّةُ ٱلۡكُبۡرَىٰ
অতঃপর যখন মহাসংকট এসে যাবে।
আয়াত 35
یَوۡمَ یَتَذَكَّرُ ٱلۡإِنسَـٰنُ مَا سَعَىٰ
অর্থাৎ যেদিন মানুষ তার কৃতকর্ম স্মরণ করবে
আয়াত 36
وَبُرِّزَتِ ٱلۡجَحِیمُ لِمَن یَرَىٰ
এবং দর্শকদের জন্যে জাহান্নাম প্রকাশ করা হবে,
আয়াত 37
فَأَمَّا مَن طَغَىٰ
তখন যে ব্যক্তি সীমালংঘন করেছে;
আয়াত 38
وَءَاثَرَ ٱلۡحَیَوٰةَ ٱلدُّنۡیَا
এবং পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে,
আয়াত 39
فَإِنَّ ٱلۡجَحِیمَ هِیَ ٱلۡمَأۡوَىٰ
তার ঠিকানা হবে জাহান্নাম।
আয়াত 40
وَأَمَّا مَنۡ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِۦ وَنَهَى ٱلنَّفۡسَ عَنِ ٱلۡهَوَىٰ
পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে ভয় করেছে এবং খেয়াল-খুশী থেকে নিজেকে নিবৃত্ত রেখেছে,
আয়াত 41
فَإِنَّ ٱلۡجَنَّةَ هِیَ ٱلۡمَأۡوَىٰ
তার ঠিকানা হবে জান্নাত।
আয়াত 42
یَسۡـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلسَّاعَةِ أَیَّانَ مُرۡسَىٰهَا
তারা আপনাকে জিজ্ঞাসা করে, কেয়ামত কখন হবে?
আয়াত 43
فِیمَ أَنتَ مِن ذِكۡرَىٰهَاۤ
এর বর্ণনার সাথে আপনার কি সম্পর্ক ?
আয়াত 44
إِلَىٰ رَبِّكَ مُنتَهَىٰهَاۤ
এর চরম জ্ঞান আপনার পালনকর্তার কাছে।
আয়াত 45
إِنَّمَاۤ أَنتَ مُنذِرُ مَن یَخۡشَىٰهَا
যে একে ভয় করে, আপনি তো কেবল তাকেই সতর্ক করবেন।
আয়াত 46
كَأَنَّهُمۡ یَوۡمَ یَرَوۡنَهَا لَمۡ یَلۡبَثُوۤا۟ إِلَّا عَشِیَّةً أَوۡ ضُحَىٰهَا
যেদিন তারা একে দেখবে, সেদিন মনে হবে যেন তারা দুনিয়াতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক সকাল অবস্থান করেছে।
অডিও প্লেয়ার