📖 সূরা ভিউ
Al-Qiyaama سُورَةُ القِيَامَةِ
এই সূরার সকল আয়াত বাংলা অর্থসহ নিচে দেখানো হলো
আয়াত 1
بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِیمِ لَاۤ أُقۡسِمُ بِیَوۡمِ ٱلۡقِیَـٰمَةِ
আমি শপথ করি কেয়ামত দিবসের,
আয়াত 2
وَلَاۤ أُقۡسِمُ بِٱلنَّفۡسِ ٱللَّوَّامَةِ
আরও শপথ করি সেই মনের, যে নিজেকে ধিক্কার দেয়-
আয়াত 3
أَیَحۡسَبُ ٱلۡإِنسَـٰنُ أَلَّن نَّجۡمَعَ عِظَامَهُۥ
মানুষ কি মনে করে যে আমি তার অস্থিসমূহ একত্রিত করব না?
আয়াত 4
بَلَىٰ قَـٰدِرِینَ عَلَىٰۤ أَن نُّسَوِّیَ بَنَانَهُۥ
পরন্ত আমি তার অংগুলিগুলো পর্যন্ত সঠিকভাবে সন্নিবেশিত করতে সক্ষম।
আয়াত 5
بَلۡ یُرِیدُ ٱلۡإِنسَـٰنُ لِیَفۡجُرَ أَمَامَهُۥ
বরং মানুষ তার ভবিষ্যত জীবনেও ধৃষ্টতা করতে চায়
আয়াত 6
یَسۡـَٔلُ أَیَّانَ یَوۡمُ ٱلۡقِیَـٰمَةِ
সে প্রশ্ন করে-কেয়ামত দিবস কবে?
আয়াত 7
فَإِذَا بَرِقَ ٱلۡبَصَرُ
যখন দৃষ্টি চমকে যাবে,
আয়াত 8
وَخَسَفَ ٱلۡقَمَرُ
চন্দ্র জ্যোতিহীন হয়ে যাবে।
আয়াত 9
وَجُمِعَ ٱلشَّمۡسُ وَٱلۡقَمَرُ
এবং সূর্য ও চন্দ্রকে একত্রিত করা হবে-
আয়াত 10
یَقُولُ ٱلۡإِنسَـٰنُ یَوۡمَىِٕذٍ أَیۡنَ ٱلۡمَفَرُّ
সে দিন মানুষ বলবেঃ পলায়নের জায়গা কোথায় ?
আয়াত 11
كَلَّا لَا وَزَرَ
না কোথাও আশ্রয়স্থল নেই।
আয়াত 12
إِلَىٰ رَبِّكَ یَوۡمَىِٕذٍ ٱلۡمُسۡتَقَرُّ
আপনার পালনকর্তার কাছেই সেদিন ঠাঁই হবে।
আয়াত 13
یُنَبَّؤُا۟ ٱلۡإِنسَـٰنُ یَوۡمَىِٕذِۭ بِمَا قَدَّمَ وَأَخَّرَ
সেদিন মানুষকে অবহিত করা হবে সে যা সামনে প্রেরণ করেছে ও পশ্চাতে ছেড়ে দিয়েছে।
আয়াত 14
بَلِ ٱلۡإِنسَـٰنُ عَلَىٰ نَفۡسِهِۦ بَصِیرَةࣱ
বরং মানুষ নিজেই তার নিজের সম্পর্কে চক্ষুমান।
আয়াত 15
وَلَوۡ أَلۡقَىٰ مَعَاذِیرَهُۥ
যদিও সে তার অজুহাত পেশ করতে চাইবে।
আয়াত 16
لَا تُحَرِّكۡ بِهِۦ لِسَانَكَ لِتَعۡجَلَ بِهِۦۤ
তাড়াতাড়ি শিখে নেয়ার জন্যে আপনি দ্রুত ওহী আবৃত্তি করবেন না।
আয়াত 17
إِنَّ عَلَیۡنَا جَمۡعَهُۥ وَقُرۡءَانَهُۥ
এর সংরক্ষণ ও পাঠ আমারই দায়িত্ব।
আয়াত 18
فَإِذَا قَرَأۡنَـٰهُ فَٱتَّبِعۡ قُرۡءَانَهُۥ
অতঃপর আমি যখন তা পাঠ করি, তখন আপনি সেই পাঠের অনুসরণ করুন।
আয়াত 19
ثُمَّ إِنَّ عَلَیۡنَا بَیَانَهُۥ
এরপর বিশদ বর্ণনা আমারই দায়িত্ব।
আয়াত 20
كَلَّا بَلۡ تُحِبُّونَ ٱلۡعَاجِلَةَ
কখনও না, বরং তোমরা পার্থিব জীবনকে ভালবাস
আয়াত 21
وَتَذَرُونَ ٱلۡـَٔاخِرَةَ
এবং পরকালকে উপেক্ষা কর।
আয়াত 22
وُجُوهࣱ یَوۡمَىِٕذࣲ نَّاضِرَةٌ
সেদিন অনেক মুখমন্ডল উজ্জ্বল হবে।
আয়াত 23
إِلَىٰ رَبِّهَا نَاظِرَةࣱ
তারা তার পালনকর্তার দিকে তাকিয়ে থাকবে।
আয়াত 24
وَوُجُوهࣱ یَوۡمَىِٕذِۭ بَاسِرَةࣱ
আর অনেক মুখমন্ডল সেদিন উদাস হয়ে পড়বে।
আয়াত 25
تَظُنُّ أَن یُفۡعَلَ بِهَا فَاقِرَةࣱ
তারা ধারণা করবে যে, তাদের সাথে কোমর-ভাঙ্গা আচরণ করা হবে।
আয়াত 26
كَلَّاۤ إِذَا بَلَغَتِ ٱلتَّرَاقِیَ
কখনও না, যখন প্রাণ কন্ঠাগত হবে।
আয়াত 27
وَقِیلَ مَنۡۜ رَاقࣲ
এবং বলা হবে, কে ঝাড়বে
আয়াত 28
وَظَنَّ أَنَّهُ ٱلۡفِرَاقُ
এবং সে মনে করবে যে, বিদায়ের ক্ষণ এসে গেছে।
আয়াত 29
وَٱلۡتَفَّتِ ٱلسَّاقُ بِٱلسَّاقِ
এবং গোছা গোছার সাথে জড়িত হয়ে যাবে।
আয়াত 30
إِلَىٰ رَبِّكَ یَوۡمَىِٕذٍ ٱلۡمَسَاقُ
সেদিন, আপনার পালনকর্তার নিকট সবকিছু নীত হবে।
আয়াত 31
فَلَا صَدَّقَ وَلَا صَلَّىٰ
সে বিশ্বাস করেনি এবং নামায পড়েনি;
আয়াত 32
وَلَـٰكِن كَذَّبَ وَتَوَلَّىٰ
পরন্ত মিথ্যারোপ করেছে ও পৃষ্ঠ প্রদর্শন করেছে।
আয়াত 33
ثُمَّ ذَهَبَ إِلَىٰۤ أَهۡلِهِۦ یَتَمَطَّىٰۤ
অতঃপর সে দম্ভভরে পরিবার-পরিজনের নিকট ফিরে গিয়েছে।
আয়াত 34
أَوۡلَىٰ لَكَ فَأَوۡلَىٰ
তোমার দুর্ভোগের উপর দুর্ভোগ।
আয়াত 35
ثُمَّ أَوۡلَىٰ لَكَ فَأَوۡلَىٰۤ
অতঃপর, তোমার দুর্ভোগের উপর দূর্ভোগ।
আয়াত 36
أَیَحۡسَبُ ٱلۡإِنسَـٰنُ أَن یُتۡرَكَ سُدًى
মানুষ কি মনে করে যে, তাকে এমনি ছেড়ে দেয়া হবে?
আয়াত 37
أَلَمۡ یَكُ نُطۡفَةࣰ مِّن مَّنِیࣲّ یُمۡنَىٰ
সে কি স্খলিত বীর্য ছিল না?
আয়াত 38
ثُمَّ كَانَ عَلَقَةࣰ فَخَلَقَ فَسَوَّىٰ
অতঃপর সে ছিল রক্তপিন্ড, অতঃপর আল্লাহ তাকে সৃষ্টি করেছেন এবং সুবিন্যস্ত করেছেন।
আয়াত 39
فَجَعَلَ مِنۡهُ ٱلزَّوۡجَیۡنِ ٱلذَّكَرَ وَٱلۡأُنثَىٰۤ
অতঃপর তা থেকে সৃষ্টি করেছেন যুগল নর ও নারী।
আয়াত 40
أَلَیۡسَ ذَ ٰلِكَ بِقَـٰدِرٍ عَلَىٰۤ أَن یُحۡـِۧیَ ٱلۡمَوۡتَىٰ
তবুও কি সেই আল্লাহ মৃতদেরকে জীবিত করতে সক্ষম নন?